সহজেই বিষণ্ণতা থেকে মুক্তি পেতে ৭টি পরামর্শ

ED-Depression-Man-in-Suitবিষণ্ণতা একটা সাধারণ এবং মানসিক সমস্যা। আর এর থেকে শুধু মাত্র ব্যক্তি নিজের চেষ্টাতেই মুক্তি পেতে পারেন। এটা খুবই সহজ যদি কিছু বিষয় আপনি অনুসরণ করতে পারেন। তাই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে আপনাদের জন্য কিছু পরামর্শ লিখলাম যেগুলো আমার ক্ষেত্রে কাজ করেছিলো।

১। গান শুনুন : গান মানুষের মনকে তাৎক্ষণিক পরিবর্তন করে দেয়। তাই বিষণ্ণতা থেকে মুক্তি পেতে গান শোনাটা অন্যতম কার্যকরী মাধ্যম। তবে মনে রাখবেন গানগুলো যেন আনন্দদায়ক হয়, বিষাদের  সুরের যেন না হয়।

২। আপনজনদের সংস্পর্শে থাকুন: একাকীত্ব বিষণ্ণতাকে জাগিয়ে তুলতে বা বাড়িয়ে দিতে সাহায্য করে। তাই একা না থেকে পরিবারে সদস্যদের সাথে বেশি সময় কাটান। যতবেশি সম্ভব তাদের কাজের সাথে সম্পৃক্ত হন এতে করে তাদের পাশে থাকার সময় বেশি পাবেন।

৩। ব্যস্ত থাকুন: নিজেকে বিভিন্ন ভালো সামাজিক এবং পারিবারিক কাজে সংযুক্ত করুন, এতে করে আপনার বাস্ততা বাড়বে। আর বাস্ততা আপনকে বিষণ্ণ সময় থেকে দূরে রাখবে।

৪। পুরনো স্মৃতি থেকে দূরে থাকুন: যদি আপনার বিষণ্ণতা কোন একটি নির্দিষ্ট কারণে হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে সেই বিষয় সম্পৃক্ত পুরনো স্মৃতি মনে না করা উচিত।

৫। ভ্রমণে বেড়িয়ে পড়ুন: বিষণ্ণতা থেকে মুক্তি পেতে ভ্রমণে যাওয়া খুবই কার্যকরী একটা পদক্ষেপ। বন্ধুদের সাথে নতুন কোন জায়গায় যাওয়াটাই ভালো।

৬। ব্যায়াম করুন:বিষণ্ণতা মানুষকে শারীরিকভাবে ভাবে ও দুর্বল করে দেয়। আর স্বাস্থ্য এই সকল সুখের মূল। ব্যায়াম করলে শরীর হালকা এবং ফুরফুরে থাকে, এর সাথে সাথে মনটা ও ভালো হয়ে যায়।

৭। বই পড়ুন: যখন আপনি বিষণ্ণতায় ভুগবেন তখনই বই পড়ুন। আপনার প্রিয় কবিতা, উপন্যাস বা উত্সাহ প্রদানকারী জীবনী পড়ুন। এটা আপনাকে বিষণ্ণতা থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করবে।

আশাকরি এই পরামর্শ গুলো আপনাদের কাজে লাগে। যদি যে কোন একটি উপায় থেকে আপনি উপকার পেয়ে থাকেন তাহলে অন্যদের সাথে শেয়ার করুন এবং আপনার অভিজ্ঞতার কথা আমাদের জানান।

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইস বুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।

7 Replies to “সহজেই বিষণ্ণতা থেকে মুক্তি পেতে ৭টি পরামর্শ”

  1. না এসব কিছুই বিষন্নতা দূর করতে কার্যকারি নয়। আপনি বিষণ্ণ কেন সেটি খুজে বের করুন। মানুষ যা কিছু হারায় পরবর্তীতে সে সেটি রিকভার করতে পারে। আপনাকে ধৈর্য্য ধরে সফলতার জন্য চেষ্টা করে যেতে হবে। যেটা রিকভার করা সম্ভব নয় সেটির বিকল্প গ্রহন করুন। বিকল্প গ্রহন করা সম্ভব না হলে সেটি মেনে নিন। পরিবর্তন ই জীবনের নিয়ম, জীবনে যে কোন সময় যেই অবস্থানেই থাকুন না কেন, যেটিই ঘটুক না কেন, ভাল থাকার সিদ্ধান্ত নিন। কারন জীবনে খারাপ থাকার কোন দরকার নেই, সময় খারাপ আসেই আপনাকে ভাল সময় উপহার দেবার জন্য। সমস্যা থাকলে সেটির সল্যুশন ও আছে। সবসময় নিজের কথা ভাববেন না, ভেবে দেখুন আপনার চেয়ে খারাপ অবস্থায় সমাজে অনেক মানুষ আছে। আপনার যা আছে সেটি নিয়ে এগিয়ে যান, কি নেই সেটি ভাবার দরকার নেই। নতুন ভাবে আপনার জীবনকে চালু করুন। চেষ্টা করলে মানুষ সব করতে পারে। আপনিও পারবেন।
    পরিকল্পনা করুন যে এভাবে আপনি সফল হতে পারেন। চেষ্টা করুন যতক্ষন পয়ন্ত আপনি সফল হচ্ছেন।

    1. ধন্যবাদ উপল আপনার মূল্যবান মতামত এর জন্য এবং আমি আপনার সাথে একমত। কিন্তু আপনি বলছেন যে বিষণ্ণর কারনটিকে খুজে বের করে সেটা রিকভার করতে অথবা মেনে নিতে। আর এইখানটাই আমার পরামর্শ গুলো দরকার।

      কারন বিষণ্ণতা কারনে মানুষ মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পরে। তাই প্রথমে আপনাকে মানসিক ভেঙ্গে পরা বা খারাপ লাগা থেকে বের হতে হবে। মূলত আমার পরামর্শ গুলো এটার জন্যই বেশি কাজ করবে। আপনি যখন মানসিক ভাবে শক্ত থাকবেন তখন যে কোন কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারবেন।

      আশাকরি আমার কথা গুলো এইবার বুঝতে পারবেন ।

  2. খুব প্রয়োজনীয় একটা বিষয়এর উপর পরামর্শ পেলাম! ধন্যবাদ।
    আশা করি নিজের ক্ষেত্রে আপ্লাই করতে পারবো।

    1. নাহিন, আপনাকে ও ধন্যবাদ লিখাটি পড়ার জন্য। আশাকরি উপকৃত হবেন এবং ভবিষ্যৎ এ নিজের অভিজ্ঞতা অন্যদের সাথে শেয়ার করবেন ।

Leave a Reply