ঘরোয়া উপায়ে দূর করুন আন্ডার আর্মস এর কালো দাগ

How To Get Rid Of Underarm Skin Darkeningআন্ডার আর্মস (under arms) বা বগলে রেজার, বিভিন্ন হেয়ার রিমুভার ক্রিম আর স্প্রে ব্যবহার করার ফলে এতে কালো দাগের সৃষ্টি হয়। হিসেব করলে দেখা যাবে ১০ জনে প্রায় ৮ জন নারীই তাদের আন্ডার আর্মস এর কালো দাগের কারণে স্লিভলেস ব্লাউস, কাটা হাতা কামিজ, টপস বা অন্যান্য পোশাক পরতে ভয় পান।

অনেকে তাদের আন্ডার আর্মস এর কালো দাগের জন্য খুব অস্বস্তিবোধ করেন। আমরা চাইলে কিন্তু আমাদের এই সমস্যার সমাধান করতে পারি আর সেটা ঘরোয়া ভাবেই। আসুন আন্ডার আর্মস এর কালো দাগ দূর করতে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

  • আপনার আন্ডার আর্মস এর কালো দাগ দূর করতে লেবুর তুলনা হয় না। একফালি লেবু নিয়ে আপনার আন্ডার আর্মসে হালকা ঘষুন। সামান্য কিছুক্ষন রেখে ধুয়ে ফেলুন দেখবেন দাগ কমে আসবে।
  • লেবুর রস, মধু আর দইয়ের প্যাক ব্যবহার করেও আপনার আন্ডার আর্মসের কালো দাগ দূর করতে পারেন। লেবুর প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান সহজেই দাগ তুলে ফেলে।
  • বেকিং সোডা পরিমাণ মতো পানি মিশিয়ে পেস্ট আকারে বানিয়ে সেই পেস্ট আন্ডার আর্মসে ব্যবহার করলেও কালো দাগ দূর হয়।
  • কমলার খোসা শুকিয়ে সেটির পাউডার ব্যবহার করলেও আন্ডার আর্মসের কালো দাগ দূর হয়।
  • ঠাণ্ডা দুধ আর ময়দা মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে সেটি ব্যবহার করলেও আন্ডার আর্মসের দাগ দূর হয়। এই পেস্ট দাগ আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে শুকিয়ে গেলে মৃদুভাবে তুলে ফেলুন।
  • ভিনেগার আর চালের আটা দিয়ে পেস্ট বানিয়ে সেই পেস্ট ভেজা আন্ডার আর্মসে লাগিয়ে রাখুন। ১০ মিনিট এটি আপনার কালো হয়ে যাওয়া আন্ডার আর্মসে লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
  • নারিকেল তেলের ভিটামিন ই উপাদান আপনার আন্ডার আর্মসের কালো দাগ তুলতে সাহায্য করে। এই তেল কালো দাগের জায়গায় ম্যাসাজ করে গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

আপনার আন্ডার আর্মসের কালো দাগের অন্যতম কারণ রাসায়নিক ডিওডেরন্ট ও অন্যান্য প্রসাধনী। তাই যতোটা পারেন প্রাকৃতিক ডিওডেরন্ট ব্যবহার করুন। স্যান্ডালউড সমৃদ্ধ ডিও গুলোকে সাধারণত প্রাকৃতিক ডিওডরেন্ট বলা হয়।

পরামর্শ.কম এ স্বাস্থ্য ও রূপচর্চা বিভাগে প্রকাশিত লেখাগুলো সংশ্লিষ্ট লেখকের ব্যক্তিগত মতামত ও সাধারণ তথ্যের ভিত্তিতে লিখিত। তাই এসব লেখাকে সরাসরি চিকিৎসা বা স্বাস্থ্য অথবা রূপচর্চা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ পরামর্শ হিসেবে গণ্য করা যাবে না। স্বাস্থ্য/ রূপচর্চা সংক্রান্ত যেকোন তথ্য কিংবা চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের/বিউটিশিয়ানের শরণাপন্ন হোন।

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।

Leave a Reply