শরীরের বিশ্রী দুর্গন্ধ দূর করুন সহজেই

Home Remedies for Body Odorস্বাভাবিকভাবে মাঝে মধ্যে শরীরে গন্ধ হওয়া খুবই সাধারণ একটি ঘটনা। কিন্তু কারো শরীরে যদি সারাক্ষণই বিশ্রী দুর্গন্ধ নির্গত হতে থাকে তাহলে সেটি ভীষণ বিব্রতকর ও অস্বস্তিকর একটি ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। অনেকে অতিরিক্ত ঘামার ফলে শরীরে গন্ধ সৃষ্টি হয় আবার অনেকেই না ঘেমেই শরীর ভর্তি অস্বাভাবিক গন্ধ নিয়ে পালিয়ে পালিয়ে বেড়ান।

পারফিউম বা সুগন্ধি জাতীয় দ্রব্যাদি সাময়িকভাবে শরীরে সুবাস এনে দিলেও অল্প কিছুক্ষন পরেই অবস্থা যা তাই হয়ে যায়। আসুন জেনে নেই ঘরোয়া ভাবে শরীরের গন্ধ দূর করার উপায়।

বেকিং সোডা(baking Soda)

আপনার শরীরের ঘাম ও দুর্গন্ধ দূর করতে বেকিং সোডা খুব কাজের জিনিস। এক টেবিল চামচ বেকিং সোডা ও সমপরিমাণ লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে আপনার আন্ডার আর্মসে ও শরীরের ঘাম নির্গত হয় এমন অংশে লাগিয়ে ২ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এভাবে এক থেকে দুই সপ্তাহ ব্যবহার করে দেখুন শরীরের গন্ধ কমে যাবে।

আপেল সিডার ভিনেগার(apple Cider Vinegar)

আপেল সিডার ভিনেগার ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধের একটি অন্যতম উপাদান। প্রতিদিন দুই সপ্তাহ খাওয়ার আগে এক কাপ আপেল সিডার ভিনেগারের সাথে কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে পান করুন। অথবা গোসলের জন্য গরম পানিতে এক কাপ আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে গোসল করুন। দেখবেন শরীরের বিশ্রী গন্ধ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

লেবুর রস(lemon Juice)

শরীরের গন্ধ দূর করতে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল লেবুর রস। একটি লেবু দুইভাগে ভাগ করে কেটে আন্ডার আর্মসে ঘষুন আর দেখুন যাতে রস যেন শরীর শুষে নেই। এরপর এটি শুকিয়ে গেলে গোসল করুন। যতদিন শরীরের গন্ধ নিয়ন্ত্রণে না আসে ততদিন এই পদ্ধতি দিনে একবার প্রয়োগ করুন।

উপরের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করার পাশাপাশি আপনাকে আপনার শরীরের গন্ধ নিয়ন্ত্রণ করতে সঠিক খাবারের তালিকা প্রস্তুত করতে হবে। দিনে কমপক্ষে এক বার গোসল করতে হবে, পোশাকআসাক পরিষ্কার পরিচ্ছন রাখতে হবে আর পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।

পরামর্শ.কম এ স্বাস্থ্য ও রূপচর্চা বিভাগে প্রকাশিত লেখাগুলো সংশ্লিষ্ট লেখকের ব্যক্তিগত মতামত ও সাধারণ তথ্যের ভিত্তিতে লিখিত। তাই এসব লেখাকে সরাসরি চিকিৎসা বা স্বাস্থ্য অথবা রূপচর্চা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ পরামর্শ হিসেবে গণ্য করা যাবে না। স্বাস্থ্য/ রূপচর্চা সংক্রান্ত যেকোন তথ্য কিংবা চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের/বিউটিশিয়ানের শরণাপন্ন হোন।

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।

সহজেই নতুন কনটেন্ট তৈরির আইডিয়ার দুটি কার্যকর উৎস

contentনিজের ব্লগ বা ওয়েব সাইট আছে এমন যে কেউই কনটেন্ট ডেভলাপের (content development) সাথে পরিচিত। একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইটকে সফল করে তোলার অন্যতম চাবিকাঠি ভাল মানের কনটেন্ট। কিন্তু নিত্য নতুন কনটেন্ট তৈরি করা বেশ কঠিন। প্রায় সব কনটেন্ট ডেভলাপারই আইডিয়া শূন্যতায় (short of ideas) ভুগেছেন কোন না কোন সময়।

এই লেখায় জানাচ্ছি এমন দুটি উৎস সম্পর্কে যেখান থেকে কনটেন্ট তৈরির আইডিয়া পাবেন যখন আপনি আইডিয়া শূন্যতায় ভুগছেন।

১. পুরানো ব্লগ পোস্ট (old blog post):

কনটেন্ট তৈরির আইডিয়ার যোগান দাতা হতে পারে আপনার পুরানো লেখা গুলোই (old blog post)। ধরা যাক আপনি পূর্বের কোন পোস্টে লিখেছিলেন “একটি জনপ্রিয় ব্লগ পোস্ট লেখার জন্য যে বিষয়গুলো অবশ্যই জানা প্রয়োজন” । আর সে পোস্ট পুনরায় পড়ার পর আইডিয়া পেলেন “নিত্য নতুন ব্লগ পোস্টের আইডিয়া পাওয়ার উৎস” সম্পর্কে লেখার। এভাবেই আপনার পুরানো লেখাগুলো থেকে নতুন আইডিয়া জেনারেট (idea generate) করে নিন।

২. আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় সংবাদ (international and local news):

আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় সংবাদগুলো লেখার জন্য প্রচুর আইডিয়া বহন করে। কি , কেন, কোথায়, কিভাবে এসব প্রশ্নের মাধ্যমে সহজেই সংবাদ গুলো থেকে নতুন লেখা তৈরি করা সম্ভব। ধরা যাক আপনি আন্তর্জাতিক কোন পত্রিকায় পড়েছেন গুগল নতুন একটি টেক ফার্ম কিনে নিয়েছে। এই টেক ফার্ম গুগল কেন কিনলো, এ থেকে তারা কিভাবে লাভবান হতে পারে, এ থেকে সাধারণ ব্যবহারকারীরা কিভাবে লাভবান হতে পারে ইত্যাদি নিয়ে ৩-৪ টি পোস্ট একটু গবেষণা করলেই লিখে ফেলা সম্ভব।

এ ধরণের আরও লেখা পড়ুনঃ

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।

হাতের লেখাকে একইসাথে করে তুলুন দ্রুত ও ঝকঝকে সুন্দর

banglaসুন্দর হাতের লেখার (better hand writing) কদর সর্বত্র। আর সেই সাথে সুন্দর লেখার পাশাপাশি আপনার লেখাটা বা লেখার ধরণটা যদি হয় দ্রুত (faster hand writing) তাহলে তো কথায় নেই। পরীক্ষা থেকে শুরু করে যেকোন কোন লেখা বিষয়ক জায়গায় আপনাকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা হয়তো আর কারো থাকবে না।

আমরা অনেকেই দেখেছি দ্রুত লিখতে গেলে হাতের লেখার অবস্থা হয় একদম বাজে, আর সেই লেখার তুলনা দিতে গিয়ে কাকের ঠ্যাং বকের ঠ্যাং নিয়ে টানাটানি শুরু হয়ে যায়। আসুন সুন্দর হাতের লেখার সাথে সাথে হাতের লেখা দ্রুত করা সম্পর্কে কিছু টিপস দেওয়া যাক।

১) আলাদা আলাদা কলম ব্যবহার করুন (different types of pen)

হাতের লেখা সুন্দর করতে বা আপনি যে খাতাটায় লিখছেন সেখানে আপনার লেখা সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করতে আলাদা আলাদা কলম ব্যবহার করুন। যেমন লেখায় পয়েন্ট করতে জেল পেন, পয়েন্টিং ভালোভাবে ফুটিয়ে তুলতে মার্কার পেন এবং স্বাভাবিক লেখার জন্য বলপেন ব্যবহার করুন। বলপেন আপনার লেখা দ্রুত লিখতে সাহায্য করবে আর জেল ও মার্কার পেন আপনার লেখার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবে।

২) লেখার সময় কলম খুব জোরে চেপে ধরবেন না (loosen your grip)

লিখতে গিয়ে কখনই কলম খুব বেশী চেপে ধরবেন না। চেপে ধরলে আপনার লেখার গতি কমে যাওয়ার সাথে সাথে লেখার সৌন্দর্য নষ্ট হয়। তাই আজ থেকেই লেখার সময় কলম সামান্য আলগা করে ধরার অভ্যাস করুন লেখার ধরণ সুন্দর হওয়ার সাথে লেখাও দ্রুত হবে।

৩) লেখার সময় খেয়াল রাখুন লেখা যেন জড়িয়ে না যায় (write clearly)

আমরা অনেক সময় দ্রুত লিখতে গিয়ে একটার সাথে আরেকটা অক্ষর এমনভাবে জড়িয়ে লিখি যে কোনটা কি আলাদা করে বোঝার উপায় থাকেনা। এতে লেখা দ্রুত না হয়ে বরং কাটাকাটি করতে গিয়ে সময় ক্ষেপণ বেশী হয়। তাই লিখতে গিয়ে লেখা যাতে জড়িয়ে না যায় সেদিকে নজর রাখুন, দেখবেন লেখা নিজে থেকেই সুন্দর হয়ে যাচ্ছে।

৪) লেখা খুব বেশী বড় বড় করে লিখবেন না (write smaller)

লেখার সৌন্দর্য বজায় রাখতে যতোটা পারেন ছোট অক্ষরে লিখতে চেষ্টা করুন। ছোট বলতে মোটামুটি মাঝারি আকার। বড় বড় লেখা আপনার লেখার সৌন্দর্য নষ্ট করার পাশাপাশি দ্রুত লেখার পথে বাধা সৃষ্টি করে।

৫) হাতের পাশাপাশি বাহুকে লেখাতে সংযুক্ত করুন (engage your arm)

এটা ঠিক লেখার ক্ষেত্রে সব থেকে বেশী হাতের প্রয়োজন পরে। কিন্তু দ্রুত লিখতে গেলে আপনাকে হাতের পাশাপাশি বাহুকেও ব্যবহার করতে হবে। আপনি যদি শুধুমাত্র হাত শক্ত করে লিখে যান লেখা খারাপ হবে ও সময় বেশী লাগবে। তাই লেখার সময় হাত শক্ত না রেখে শিথিল করে লিখুন ও হাতের বাহুর ব্যবহার ঘটান, এতে লেখা দ্রুত ও সুন্দর হবে।

আপনার পড়াশোনার জীবনে লেখার অবস্থান বলতে গেলে সবার উপরে। তাই হাতের লেখা দ্রুত ও সুন্দর করার কোন বিকল্প হয় না।

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।

জেনে নিন কয়েকটি কাজ, যার মাধ্যমে আপনিও অনলাইন থেকে টাকা উপার্জন করতে পারবেন

earn money onlineআপনি কি ৯-৫ টা অফিস করতে করতে ক্লান্ত? আপনি মনে মনে অনলাইনে কিছু করার চিন্তা করছেন কিন্তু আশে পাশের অনেকের অনেক রকম কথা শুনে ভাবছেন আপনার কি অনলাইনে কাজ করা উচিত কিনা। যদি আপনি সত্যি পরিষ্কার ধারণা চান তাহলে এই লেখাটা এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলুন।

এক কথায় আপনি যদি নিয়মিত ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, ইংরেজিতে যোগাযোগ করতে পারেন এবং টাকা উপার্জন করতে ভালবাসেন তাহলে আপনার অনলাইনে আয় করার চেষ্টা করা উচিত। তবে এর জন্য আপনাকে যে সুপারস্টার কম্পিউটার প্রোগ্রামার অথবা আইটি গুরু হতে হবে এমন কোন বিষয় নয়।

ইন্টারনেট জগতে হাজার হাজার পথ আছে যার মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারবেন। হয়তো আপনি জানেনই না যে আপনার নিজের অনেক ধরনের দক্ষতা আছে যার মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারেন।

  • আপনি কি দ্রত টাইপ করতে পারেন? মার্কেটপ্লেসে(market place) হাজার হাজার ডাটা-এন্ট্রির(data entry) কাজ আছে। এ থেকে আপনি কত আয় করতে পারবেন? আপনি যতটা পরিশ্রম করতে পারবেন ততটা আয় করবেন। আয়ের পরিমাণ আপনার পরিশ্রমের সমানুপাতিক। অর্থাৎ যত বেশি পরিশ্রম করতে পারবেন, তত বেশি আয় করতে পারবেন। তাই এ ক্ষেত্রটিতে কাজ শুরু করতে পারেন।
  • আচ্ছা আপনি কি ভাল লিখেন? খুবই ভাল কথা। আর্টিকেল রাইটিং (article writing), ব্লগ রাইটিং (blog writing), বুক রাইটিং এরকম শত শত প্রকারের রাইটিং জব প্রতিদিন বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে প্রকাশিত হচ্ছে। তাই লেখালেখি করে খুব সহজেই অর্থ উপার্জন করতে পারেন।
  • আপনার কি আঁকাআকির হাত ভাল? গ্রাফিক ডিজাইন (graphic design), ওয়েব ডিজাইন (web design) এসবতো আপনার জন্যই বসে আছে। বেছে নিতে পারেন এ ধরণের সৃজনশীল কাজ।
  • আপনি কি একজন সফটওয়্যার ডেভেলপার? তাহলে বসে আছেন কেন? কেন আপনার প্রতিভা অন্য কোন কাজে নষ্ট করছেন? সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের মতো কাজ করেও আপনি ইচ্ছে করলে টাকা উপার্জন করতে পারেন।
  • সারাদিন কি ফেসবুকে বসে থাকেন? আপনার অনেক ফলোয়ার? আপনার পেজটা অনেক জনপ্রিয়? তাহলে আপনি ফেসবুক লাইক, বিভিন্ন অনলাইন ভিত্তিক কোম্পানির পেইজের (facebook page) এডমিন ইত্যাদি পদে থেকে ফেসবুক মার্কেটিং এর কাজ করতে পারেন।

এখন হয়তো কাজগুলা অনেক সহজ মনে হচ্ছে? হ্যাঁ, যদি সঠিক দিক নির্দেশনা মেনে এগোতে পারেন তবে আপনি ঠিকই অনলাইন থেকে আয়  করতে পারবেন।
আরো পড়ুন

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।

লেখালেখির আইডিয়া আসছে না? জেনে নিন রাইটার্স ব্লক কাটিয়ে উঠবেন যেভাবে

writers-blockরাইটার্স ব্লক (writer’s block)। প্রায় সব লেখকই জীবনের কোন না কোন সময় এই সমস্যায় পড়েছেন। হয়তো কোন আইডিয়া আসছে না মাথায় অথবা অনেকগুলো আইডিয়া এসেছে কিন্তু সাজিয়ে লিখতে পারছেন না। লিখতে গেলেই থেকে যাচ্ছে কলম বা কি-বোর্ড। সাদা কাগজ বা কম্পিউটারের শূন্য স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে সময় কেটে যাচ্ছে। এই রাইটার্স ব্লকে হতাশাগ্রস্ত হয়ে আত্মহত্যা করেছেন অনেক লেখক। আজ আপনাদের জানাচ্ছি কিছু সহজ পদ্ধতি যা আপনার রাইটার্স ব্লক কাটাতে সাহায্য করবে (writers block help)

১. সৃজনশীল কিছু করুন (do anything creative):

রাইটার্স ব্লকে আক্রান্ত হলে লেখাটি সরিয়ে রাখুন। সৃজনশীল (creative) কিছু করুন। ছবি আঁকা, ফটোগ্রাফি, কবিতা লেখা, কাঠ বা মাটি দিয়ে কিছু বানানো ইত্যাদি কাজ গুলো আপনার মস্তিষ্কের সৃজনশীল অংশটিকে উজ্জীবিত করে তুলবে, যা রাইটার্স ব্লক কাটাতে সাহায্য করবে।

২. যা ইচ্ছা লিখুন (do freewriting):

এক সপ্তাহের জন্য আপনার মূল লেখাটি সরিয়ে রাখুন। এই সময়ে প্রতিদিন ১৫-৩০ মিনিট লিখুন মনের ইচ্ছা মত। কোন নিয়ম কানুনের কথা এ সময় চিন্তা করবেন না। সংবাদপত্রের কোন লেখার সাথে কাল্পনিক কিছু যুক্ত করুন, নিজেই কৌতুক লেখার চেষ্টা করুন। এভাবে লিখতে থাকলে আপনার মস্তিষ্কের শব্দজট খুলে যাবে। আর এই এলোমেলো লেখাগুলো থেকে পেয়ে যেতে পারেন নতুন কিছু লেখার আইডিয়াও।

৩. শারীরিক পরিশ্রম হয় এমন কিছু করুন (move your body):

আপনি ব্যায়াম করতে পারেন এমনকি নাচতেও পারেন। এমন কিছু করুন যাতে আপনার শারীরিক পরিশ্রম হয় এবং আপনি ক্লান্ত অনুভব করেন। এই ক্লান্তি আপনার মস্তিষ্ককে প্রশান্ত করবে। এছাড়াও মেডিটেশন করতে পারেন।

৪. মনোযোগ বিচ্ছিন্ন করে এমন বিষয়গুলো দূরে রাখুন (eliminate distraction):

লিখতে বসার আগে আপনার মনোযোগ বিচ্ছিন্ন করতে পারে এমন বিষয়গুলো সরিয়ে রাখুন। মোবাইল সাইলেন্ট করে দিন, ইন্টারনেট বন্ধ রাখুন। পরিবারের সদস্যদের বলুন যেন পরবর্তী ২-৩ ঘণ্টা (বা আপনি যতক্ষণ লেখালেখি করেন) আপনাকে বিরক্ত না করে।

৫. লিখুন খুব ভোরে (write in the morning):

সকালে ঘুম থেকে জাগার পর আমাদের মস্তিষ্ক সবচেয়ে বেশি কর্মক্ষম থাকে। তাই লেখালেখির জন্য এই সময়টিকে বেছে নিন। আপনি রাইটার্স ব্লকে (writers block) ভুগে থাকলে ভোর ৪টা বা ৫ টায় উঠে লেখার চেষ্টা করুন।

এ ধরণের আরও লেখা পড়ুনঃ

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।

লেখালেখির ক্ষেত্রে যেভাবে নিজের ভুলগুলো কাটিয়ে উঠবেন

Hand of woman who writes inkনিজের লেখাগুলো পৃথিবীর সব লেখকের (writers) কাছেই প্রিয়। কিন্তু আপনার কাছে যে লেখাটি ভাল লাগছে তা অন্যের কাছে ভাল লাগবে এমন কোন নিশ্চয়তা নেই। লেখালেখির ক্ষেত্রে কিছু ভুল প্রায় সবারই হয়ে থাকে, আর সে সব ভুলগুলো (mistakes) শুধরে নিয়ে কিভাবে নিজের লেখাকে মানসম্মত করা যায় তাই নিয়েই কিছু পরামর্শ রয়েছে এই লেখাটিতে।

১. লিখতে লিখতে হঠাৎ আটকে গেছেন (writers block)। অনেক চেষ্টার পরেও কোনভাবেই লিখতে পারছেন না? এমন অবস্থায় পড়লে নিজের উপর জোর খাটাবেন না। কাগজপত্র গুছিয়ে উঠে পড়ুন। বাইরে থেকে খানিকটা ঘুরে আসুন, খেয়ে নিন হালকা কিছু।

২. আগে যা লেখার লিখে ফেলুন। সংশোধন (edit) করবেন সব লেখা শেষে।

৩. অন্য কোন লেখক বা সম্পাদক আপনার লেখার সমালোচনা করলে তা মন দিয়ে শুনুন। তাদের সমালোচনাকে নিজের লেখার উন্নতিতে (writing skills) কাজে লাগান।

৪. নিজের লেখা উচ্চস্বরে পড়ে শোনান নিজেকেই। এতে করে ভুলগুলো বের হয়ে আসবে , সেই সাথে পেয়ে যেতে পারেন নতুন কোন লেখার আইডিয়াও।

৫. লেখালেখিতে যারা নতুন, তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য হতে হবে লেখার প্রতি পাঠককে আকর্ষণ (draw people) নয় বরং লেখা সামান্য পড়ে পাঠক যাতে চলে না যান তা নিশ্চিত করা।

৬. লেখাকে এমনভাবে সাজান যেন যে কেউ একবার পড়ে সহজেই লেখার মূল বক্তব্য বুঝতে পারে।

৭. মাঝে মাঝে ব্যবহার করুন অপ্রচলিত বা নতুন কোন শব্দ। তবে এর বহুল ব্যবহার আপনার লেখাকে কঠিন করে তুলতে পারে।

৮. প্রচুর বই পড়ুন। লেখকদের জন্য এটি অপরিহার্য। যত বেশি অন্য লেখকদের বই পড়বেন ততই আপনার জ্ঞান বাড়বে, সা সমৃদ্ধ করে তুলবে আপনার লেখাকে।

লেখালেখি নিয়ে পরামর্শ.কম এর আরও লেখা পড়ুনঃ

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।