গুগল এডসেন্স একাউন্ট এর অনুমোদন পাওয়ার জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

adsene

আমরা জানি গুগল এডসেন্স বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি পি.পি.সি. এডভার্টাইজিং প্রোগ্রাম কারণ তারা পাবলিশারদের সবচেয়ে বেশি পে করে থাকে। প্রায় সকল ব্লগার এবং ওয়েবমাষ্টাররাই চায় গুগল এডসেন্স দিয়ে তাদের সাইট/ব্লগ মনিটাইজেশন করার জন্য কিন্তু অনেকেই এডসেন্স একাউন্ট এর অনুমোদন পায় না আবার অনেকে পেলেও কিছুদিনের মধ্যেই তাদের একাউন্ট ব্যান হয়ে যায়। বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে অনেকেই বলে যে তারা এডসেন্স একাউন্ট এর অনুমোদন পায় না।

কিন্তু আপনি যদি এডসেন্স একাউন্ট এর আবেদন এর পূর্বে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর নজর রাখেন তাহলে খুব সহজেই একাউন্ট এর অনুমোদন পেয়ে যাবেন সাথে সাথে আপনার একাউন্ট ব্যান হবারও কোন সম্ভাবনা থাকবে না।

চলুন দেখে নেওয়া যাক এডসেন্স একাউন্ট এর অনুমোদন পাওয়ার জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

১. নিজস্ব এবং টপ লেভেল ডোমেইন নেম

এডসেন্স এর অনুমোদন পাওয়ার জন্য ডোমেইন নাম অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। অনেক নতুন ব্লগাররা দেখা যায় যে ব্লগস্পট, ওয়ার্ডপ্রেস, উইবলী ইত্যাদিতে সাব-ডোমেইন দিয়ে একটি ব্লগ করে তার জন্য এডসেন্স এর অনুমোদন চায় কিন্তু তারা পান না। তাই আপনাকে অবশ্যই একটি ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনে ব্লগ/সাইট বিল্ডাপ করে তারপর এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হবে। আর টপ লেভেল ডোমেইন বলতে মূলত .কম, .নেট, .ওআরজি কে বুঝায়। কিভাবে একটি ভালো, কার্যকরী এবং টপ লেভেলের একটি ডোমেইন কিনবেন তা বিস্তারিত দেখুন এইখানে

২. ডোমেইন এর বয়স

এডসেন্স একাউন্ট পেতে ডোমেইন এর বয়স আরেকটি গুরুত্বপূর্ন বিষয়। সাধারণত বাংলাদেশ থেকে এডসেন্স একাউন্ট এর অনুমোদন পেতে আপনার ডোমেইন এর বয়স কমপক্ষে ৩-৪ মাস হতে হবে (৬ মাস হলে ভালো হয়)।  ৩-৪ মাসের মধ্যে আপনি আপনার ব্লগ/সাইটে ভালো কিছু কন্টেন্ট দিন আর সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর আনার জন্য ভালোভাবে এস.ই.ও. এর কাজ করুন।

৩. ইউজার ফ্রেন্ডলী ব্লগ/সাইট ডিজাইন এবং নেভিগেশন

আপনার ব্লগ/সাইট এর ডিজাইন অবশ্যই ইউজার ফ্রেন্ডলী হতে হবে। আপনাকে অবশ্যই গুগল এর ওয়েব ডিজাইন গাইডলাইন অনুযায়ী আপনার ব্লগ/সাইট এর ডিজাইন করতে হবে। অন্যথায় আপনি এডসেন্স একাউন্ট এর অনুমোদন পেলেও পরবর্তীতে আপনার একাউন্ট ব্যান হবার সম্ভাবনা থাকবে।

৪. কিছু গুরুত্বপূর্ণ পেজ তৈরী করুন

একটি ব্লগ বা সাইটের জন্য কিছু পেজ (যেমনঃ প্রাইভেসি পলিসি পেজ, এবাউট পেজ, কন্টাক্ট পেজ ইত্যাদি) অনেক গুরুত্ব বহন করে যা অনেক নতুন ব্লগাররাই তাদের ব্লগ সাইটে পাবলিশ করতে ভুলে যান। এই পেজগুলো গুগল অনেক পছন্দ করে এবং আপনার ব্লগকে আরো বেশী ইউজার ফ্রেন্ডলী করে তোলে।

৫. কন্টেন্ট সম্পর্কে সচেতন থাকুন

গুগল এডসেন্স পলিসি অনুযায়ী আপনি আপনার সাইট/ব্লগে কোন কপিরাইটেড কন্টেন্ট, ইমেজ বা ভিডিও পাবলিশ করতে পারবেন না। এতে করে আপনি এডসেন্স এর অনুমতি পাবেন না, আর যদিও পান তাহলে পরবর্তীতে আপনার একাউন্ট ব্যান হয়ে যাবে। তাই ব্লগে কপিরাইটেড কোন কিছু পোষ্ট করা থেকে বিরত থাকুন।

৬. পোষ্ট লিমিট

এডসেন্স এ আবেদন করার পূর্বে আপনার ব্লগে কমপক্ষে ৪০-৫০টি পোষ্ট থাকলে খুব সহজেই আপনি এডসেন্স এর অ্যাপ্রুভাল পেয়ে যাবেন। মনে রাখবেন পোষ্টগুলো যাতে কমপক্ষে ৫০০-৬০০ ওয়ার্ড এর মধ্যে হয় এবং কিছু পোষ্ট যাতে ১০০০-১৫০০ ওয়ার্ড এর মধ্যে হয়।

৭. নাম, ইমেল এবং বয়স এর ভেরিফিকেশন

অনেকেই নাম এবং ইমেল ভেরিফিকেশন কে গুরুত্ব দেয় না, কিন্তু এটাও এডসেন্স এর অনুমোদন পাওয়ার জন্য একটি ফ্যাক্টর। আপনার ব্লগের এবাউট এবং কন্টাক্ট পেজ এ অবশ্যই আপনার আসল নাম আর ইমেইল আইডি দিবেন।

এডসেন্স এর অনুমোদন পেতে আপনার বয়স অবশ্যই কমপক্ষে ১৮+ হতে হবে।

৮. সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর আনুন

এডসেন্স থেকে ভালো পরিমান উপার্জন করতে হলে সার্চ ইঞ্জিন থেকে অবশ্যই ভালো পরিমান ভিজিটর আপনার ব্লগে আসতে হবে। প্রতিদিন কমপক্ষে ২০০-৩০০ ভিজিটর হলে খুব সহজেই এডসেন্স এর অনুমোদন পেয়ে যাবেন।

৯. অন্যান্য এড নেটওয়ার্ক অপসারণ করুন

আপনি যদি বর্তমানে ব্লগে অন্য কোন এড নেটওয়ার্ক (যেমনঃ ইনফোলিঙ্কস, চিঠিকা ইত্যাদি) ব্যবহার করে থাকেন তাহলে এডসেন্স এর জন্য আবেদন করার পূর্বে অবশ্যই ঐ এড নেটওয়ার্কগুলো ব্লগ থেকে অপসারণ করতে হবে।

১০. পেইড ট্রাফিক

এডসেন্স এর পলিসি অনুযায়ী আপনার ব্লগের জন্য পেইড ট্রাফিক ব্যবহার করতে পারবেন না। যদি ব্যবহার করে তাহলে এডসেন্স অ্যাপ্রুভাল পাবেন না।

আরো পড়ুন
কিভাবে এডসেন্স এর আয় ৩০ দিনে ৩ গুন বৃদ্ধি করবেন
লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।

কিভাবে এডসেন্স এর আয় ৩০ দিনে ৩ গুন বৃদ্ধি করবেন

adseneযখন আপনি একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট ভালো পরিমাণ ভিজিটর পাবেন তখন আপনি খুব সহজেই আপনার ঐ সাইট বা ব্লগ থেকে ভালো আয় করতে পারবেন। একেকজন একেকভাবে তাদের ব্লগ থেকে আয় করে থাকে, কেউ গুগল এডসেন্স থেকে আয় করে, কেউ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং আবার কেউ বিজ্ঞাপন দিয়ে। আপনি যদি এডসেন্স এর মাধ্যমে আপনার ব্লগ থেকে আয় করে থাকেন, আপনি হয়তবা আপনার প্রত্যাশা অনুযায়ী আয় করতে পারছেন না। কিন্তু কিছু সহজ কৌশল অবলম্বন করলেই আপনি এডসেন্স থেকে খুব ভালো পরিমাণ আয় করতে পারবেন, মাত্র এক মাসের মধ্যে এডসেন্স থেকে আয় ৩ গুন পরিমাণ বৃদ্ধি করা সম্ভব। চলুন দেখে নেওয়া যাক কিভাবে এডসেন্স এর আয় ৩০ দিনে ৩ গুন বৃদ্ধি করবেন?

১. ব্লগের ডিজাইন

এডসেন্স থেকে বেশি পরিমাণ আয় করার জন্য ব্লগ বা সাইট এর ডিজাইন অনেক গুরুত্ব বহন করে। আপনার ব্লগ যত বেশী ইউজার-ফ্রেন্ডলী হবে, আপনি এড এ তত বেশী ক্লিক পাবেন আর এড এ যত বেশী ক্লিক পাবেন আপনার আয় তত বেশী হবে। আপনার ব্লগ এর ডিজাইন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন, ভিজিটর যাতে খুব সহজেই তাদের দরকারী তথ্য পেতে পারে এবং এড এর জন্য নির্দিষ্ট জায়গা রাখুন যেখানে ভিজিটর বেশীরভাগ সময় অবস্থান করে।

২. কোয়ালিটি কন্টেন্ট

বেশী পরিমাণ সি.পি.সি. (Cost per Click) পাবার জন্য আপনার ব্লগ বা সাইট এর কন্টেন্ট অবশ্যই মানসম্মত হতে হবে। প্রতিটা কন্টেন্ট লেখার আগে কীওয়ার্ড রিসার্চ করে নিন। এতে করে আপনি খুব সহজেই কন্টেন্ট এর জন্য এমন কিছু কীওয়ার্ড খুঁজে পাবেন যেগুলোর সি.পি.সি. অনেক বেশী।

৩. এড সাইজ

এডসেন্স থেকে ভালো পরিমাণ আয় করার জন্য এড সাইজ অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ। একমাত্র সঠিক এড সাইজ ব্যবহার করার মাধ্যমেই আপনি সর্বোচ্চ পরিমাণ আয় করতে পারবেন। বড় সাইজের এড ইউনিট ব্যবহার করলে ভালো পরিমাণ সি.পি.সি. পাওয়া যায়।

কার্যকরী কয়েকটি এড ইউনিট

  • ৩৩৬*২৮০
  • ১৬০*৬০০
  • ৩০০*২৫০ এবং
  • ৭২৮*৯০

৪. এড প্লেসমেন্ট অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়

ব্লগ/সাইট এর কোথায় এড বসাবেন তার উপর নির্ভর করবে আপনি এডসেন্স থেকে কত পরিমাণ আয় করবেন। সবসময় চেষ্টা করবেন পেজ বা পোষ্ট এর উপরের দিকে এড স্লট বসানোর জন্য। হেডারে এড বসালেও তার থেকে অনেক বেশী পরিমাণ ক্লিক পাওয়া যায়। এছাড়া সাইডবার এ একটি বড় এড স্লট (১৬০*৬০০) বসাতে পারেন যা থেকে অনেক বেশী পরিমাণ আয় করা সম্ভব।

৫. এড এর ধরণ

আপনি হয়তোবা যেকোন একটি ধরনের এড (টেক্সট বা ইমেজ এড) ব্যবহার করে থাকেন যা আপনার এডসেন্স থেকে আয়ের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। বেশী পরিমাণ আয় করার জন্য অবশ্যই আপনাকে উভয় ধরনের (টেক্সট এবং ইমেজ) এড ব্যবহার করতে হবে।

৬. এড এর ডিজাইন

আপনার ব্লগ এর ডিজাইন এবং ফ্রন্ট এর কালার এর সাথে মিলিয়ে এডসেন্স এড এর কালার ঠিক করুন এবং সেটি আপনার ব্লগে ব্যবহার করুন। এতে করে অনেক বেশি পরিমাণ ক্লিক পাবেন।

৭. অনেক বেশি ভালো না

ব্লগ/সাইটে বেশি পরিমাণ এড ইউনিট ব্যবহার করা ভালো না, এতে করে সি.পি.সি. কমে যায়। তাই যত কম সম্ভব এড ইউনিট ব্যবহার করা যায় সেই দিকে নজর রাখবেন। গুগল এডসেন্স অফিসিয়ালি একটি পেজ/পোষ্ট এ সর্বোচ্চ ৩টি এড ইউনিট ব্যবহার করার জন্য রিকোমান্ড করে থাকে।

৮. অর্গানিক ট্রাফিক এর উপরে গুরুত্ব দিন

আপনার ব্লগে যদি অর্গানিক সার্চ থেকে ভিজিটর আসে এবং তারা যদি এড এ ক্লিক করে তাহলে আপনি অনেক বেশী পরিমাণ সি.পি.সি. পাবেন। তাই এস.ই.ও. এর মাধ্যমে ব্লগে অর্গানিক ট্রাফিক বাড়ানোর প্রতি গুরুত্ব দিন।

৯. ব্লগ/সাইটের বিভিন্ন যায়গায় এড স্লট বসিয়ে পরীক্ষা করুন

ব্লগের বিভিন্ন যায়গায় যেমন (হেডার, পোষ্ট এর টাইটেল এর নিচে, পোষ্ট এর মাঝখানে, পোষ্ট এর একদম নিচে, ফুটারে, সাইডবার এর উপরের দিকে, মাঝখানে এবং নিচে) এড স্লট ব্যবহার করে দেখবেন, কোথায় এড স্লট বসালে সর্বোচ্চ পরিমাণ ক্লিক পাওয়া যায়।

১০. সার্চ এর জন্য এডসেন্স ব্যবহার করুন

আপনি খুব সহজেই আপনার ব্লগে সার্চ অপশন এর সাথে এডসেন্স ব্যবহার করতে পারেন। গুগল এডসেন্স সহ গুগলের একটি সার্চ বক্স আপনার ব্লগে ব্যবহার করুন। এতে করে ভিজিটর যখন আপনার ব্লগে কোন কিছু সার্চ করবে তখন সার্চ রেজাল্ট এর উপরে/নিচে/সাইডে এডসেন্স এর এড দেখাবে যেখানে ভিসিটররা ক্লিক করলে আপনি ভালো আয় করতে পারবেন।

১১. কম সি.পি.সি. এর সাইটগুলো ব্লক করে দিন

যে সব পাবলিশার সাইটগুলো কম সি.পি.সি. দেয় সেই সাইটগুলোর এড বন্ধ করে দিন। আপনার এডসেন্স একাউন্ট এর ড্যাশবোর্ড থেকে খুব সহজেই আপনি এই কাজটি করতে পারেন।

১২. এডসেন্স ফ্রেন্ডলি robots.txtব্যবহার করবেন

এডসেন্স ফ্রেন্ডলী robots.txt ব্যবহার করুন যাতে করে গুগল খুব সহজেই আপনার ব্লগ অনুযায়ী এড সার্ভ করতে পারে।

robots.txt file এ নিচের কোডটি ব্যবহার করুন

User-agent: Mediapartners-Google
Disallow:

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।

গুগল থেকে খুব সহজেই সার্চ করবেন কিভাবে

Google-Searchঅনলাইন সার্চ ইঞ্জিনের জন্য গুগল খুবই জনপ্রিয়। প্রয়োজনীয় অনেক তথ্য খুঁজে পেতে আমাদের সহায়তা করে। কিন্তু কিছু গোপন টেকনিক না জানার ফলে আমাদের অনেক সময় লেগে যায়, এমনকি ভোগান্তি পোহাতে হয়। তাই শর্টকার্ট কিছু কৌশল অবলম্বন করতে পারেন কোন বিষয় খোঁজার ক্ষেত্রে-

১) আপনার পছন্দনীয় গান, মুভি খোঁজার ক্ষেত্রে-

বিভিন্ন ফরমেটের গান, কোন এলবামের গান, কিংবা পুরো এলবাম বা শিল্পীর গান খোঁজার জন্য সার্চ বক্সে টাইপ করুন intitle:”index of” (mp3|mp4|avi) James”। বিশেষ গান খুজতে হলে- “index of” (mp3|mp4|avi) bangladesh james” আর পুরো এলবাম পেতে “index of” (mp3|mp4|avi) piano james। অন্য বিষয়ের ক্ষেত্রেও এই কৌশল কাজে লাগানো যাবে।

২) কোন পিডিএফ ফাইল খোঁজার ক্ষেত্রে

যে বিষয় সম্পর্কিত পিডিএফ ফাইলটি খুঁজবে তার জন্য সার্চ বক্সে fileType:pdf  টাইপ করুন। যেমন computer.pdf

৩) কোন বিষয়ের অর্থ বুঝতে

কোন শব্দ বা বিষয় বুঝার জন্য গুগলের সাহায্য নিতে পারেন এভাবে- define: scholarship, মানে শব্দটির পূর্বে Define টাইপ করে দিন।

৪) বিমানের ফ্লাইটের সময়সূচী এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র খুজতে

নির্দিষ্ট বিমানের নির্দিষ্ট ফ্লাইটের অবস্থান এবং কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পাঠানো জিনিসপত্র সম্পর্কে জানতে সার্চ বক্সে বিমান এবং তার ফ্লাইট নম্বর প্রবেশ করান এবং তার বর্তমান অবস্থান, পৌঁছানোর সময় জেনে নিন। আর কুরিয়ার সার্ভিসের জন্য UPS, FedEx অথবা USPS  এবং সাথে ট্রাকিং নাম্বারটি লিখে সার্চ দিন। ফরমেটটি হবেঃ fly dubai 456

৫) পরিমাপের একক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে

আয়তন, ওজন, উচ্চতা, ক্ষেত্রফল ইত্যাদি রাশির একককে অন্য এককে রুপান্তর করতে সার্চ বক্সে গিয়ে টাইপ করুন- kg in pound, inch in km

৬) কোন নির্দিষ্ট এলাকার সময় জানতে

কোন নির্দিষ্ট এলাকার স্থানীয় সময় জানতে গাণিতিক হিসাবের দরকার নেই। সরাসরি সার্চ বক্সে গিয়ে এই ফরমেট এ টাইপ করুনঃ time ‍Sydney অর্থাৎ নির্দিষ্ট স্থানের আগে time শব্দটি দিন।

৭) আপনার পছন্দের সীমানাকে লক্ষ্য করে খুঁজুন

আপনি যদি ধানমণ্ডির সকল রেস্তোরাঁ খুজতে চান তাহলে আপনাকে প্রথমে এই লিঙ্কে যেতে হবে https://plus.google.com/local, তারপর সার্চের বক্সে Restaurant এবং তার সাথেই দেখবেন লোকেশন বা স্থান টাইপের জায়গা আছে। সেখানে টাইপ করুন- Dhanmondi, Dhaka, Bangladesh এবং সার্চ দিন। ধানমণ্ডিতে অবস্থিত সব রেস্তোরাঁর খবর আপনি সাথে সাথে পেয়ে যাবেন।

আর এভাবেই গুগল সার্চ ইঞ্জিনে সহজ কিছু কৌশলের মাধ্যমে আমরা সময় বাঁচাতে পারি আর যে কোন তথ্য পেতেও আমাদের আর বেগ পেতে হবে না।

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।

মুক্ত থাকুন ফেসবুক এবং অন্যান্য ওয়েব ঠিকানার বিরক্তিকর বিজ্ঞাপন থেকে

adsআমরা অনেকেই ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে গিয়ে নানান রকম  অনাকাংখিত বিড়ম্বনার শিকার হই।  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্রাউজিং এর ক্ষেত্রে প্রায়ই আমাদের নানা রকম বিজ্ঞাপন (Ads) এর সম্মুখীন হতে হয় । এই অ্যাড গুলো অনেক ক্ষেত্রেই যথেষ্ট আপত্তিকর । এছাড়াও এই অ্যাডগুলো আপনার অতিরিক্ত ব্যান্ডউইথ খরচ করাবে, আপনার পিসির প্রসেসরকে বেশি কাজ করাবে, ল্যাপটপের ব্যাটারির আয়ু কমাবে এবং সর্বোপরি আপনাকে অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ওয়েব ঠিকানাই প্রবেশে বাধ্য করবে।

আর ফেসবুক (Facebook)  ব্যবহারকারিদের ক্ষেত্রে অনেক সময় দেখা যায় ,আপনার বন্ধু কোন অশ্লীল পেজে লাইক দিয়েছে ,তা অটোমেটিকালি সাজেশন আকারে আপনার সামনে চলে আসে । যা খুবই বিব্রতকর ।

এসব কিছু থেকে মুক্তি পেতে নিচের অ্যাড অন ( Add-ons ) গুলো আপনার ব্রাউজারে ইন্সটল করে নিন ,আর বিরক্তিকর অ্যাড থেকে সহজেই মুক্তি পান, ইনশাআল্লাহ।

ফেসবুক অ্যাড ব্লকের জন্য  (Facebook ads block)-

  • ফায়ারফক্স (firefox) ব্যবহার কারীগন ইন্সটল করুন-

https://addons.mozilla.org/…/…/fb-purity-cleans-up-facebook/

  • গুগলক্রম ব্যবহারকারিদের জন্য-

https://chrome.google.com/…/ncdlagniojmheiklojdcpdaeepochck…

সকল ওয়েব ঠিকানার অ্যাড ব্লকের জন্য (All ads block)-

  • Chrome, Safari & Opera ব্যবহারকারীগণ  ইন্সটল  করুন –

https://getadblock.com/

  • Mozila ব্যবহারকারীগণ  ইন্সটল  করুন-

https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/adblock-plus/

বি: দ্র  :পোষ্টটির ব্যপারে তথ্য ঋণ  ফেসবুকে Ask Sumon  ভাই।

ইন্সটল এর ক্ষেত্রে কোন সমস্যা হলে কমেন্টের মাধ্যমে জানান। সচেতন হোন ,ভালো থাকুন । আমার পরবর্তী পোস্ট পেতে পরামর্শ.কমে  চোখ রাখুন ।

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।

 

 

 

বিআইপিসি কনফারেন্স ২০১৪- অংশগ্রহণ করুন, জানুন, গড়ে তুলুন নেটওয়ার্ক

BIPC Conferenceদৃষ্টি আর্কষণ করছি বাংলাদেশের সকল ইন্টারনেট প্রফেশনালদের যারা অনলাইন ভিক্তিক নিজেদের ক্যারিয়ার গড়েছেন বা গড়তে যাচ্ছেন। তথ্য প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে এ সেক্টরে কাজের চাহিদা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। সরকারী/ বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি সেক্টর থেকে প্রতি বছর হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী স্নাতক, স্নাতকোত্তর শেষ করে প্রবেশ করছেন তথ্য প্রযুক্তির অবাধ বিশ্বে। ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার কারণে তথ্য প্রযুক্তি প্রেমী অনেক নন টেকনিক্যাল ছাত্রছাত্রীরাও প্রতিনিয়ত এই সেক্টরে প্রবেশ করছে। তথ্য প্রযুক্তির উপর বা কম্পিউটার সায়েন্সে সম্মান ডিগ্রি ধারী ছাত্রছাত্রীদের সাথে সমান তালে নন টেকনিক্যাল ছাত্রছাত্রীরাও এ সেক্টরে অবদান রেখে যাচ্ছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ব্যপক ভূমিকা পালন করছে।

সকল ইন্টারনেট প্রফেশনালদের মধ্যে বড় একটা অংশ মুক্ত পেশাজীবি বা ফ্রিল্যান্সার। ফ্রিল্যান্সিং করে আজ অনেকে স্বাবলম্বী। অন্যান্য যে কোন সাধারন চাকুরীর তুলনায় ফ্রিল্যান্সারদের আয় বেশি। কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং বিষয়টা নতুন হওয়ায় সমাজে এখনো এর পুরোপুরি স্বীকৃতি মেলেনি। ফ্রিল্যান্সিং করে বা অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ার বিষয়ে অনেকের সূদূর প্রসারী পরিকল্পনা করতে পারছে না। অনেকের ধারনা যতদিন পড়াশুনা করব তত দিন ফ্রিল্যান্সিং করব পরবর্তীতে পড়াশোনা শেষ হলে অন্য চাকুরীর জন্য চেষ্টা করব। এই ধরনের প্রবণতা বাড়ছে কাজের স্থায়ীত্ব এবং সমাজে অন্যান্য পেশা যেমন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা সরকারী উচ্চ পর্যয়ের কোন কর্মকর্তাদের মত স্বীকৃতির না পাওয়ার কারনে।

BIPC (Bangladesh Internet Professionals’ Community) এর পরিচিতি এবং লক্ষ্য

বাংলাদেশের সকল ইন্টারনেট প্রফেশনালদের সুযোগ সুবিধা, প্রতিবন্ধকতা, দিকনির্দেশনা এবং এই অনলাইন ভিক্তিক প্রফেশনকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে বাংলাদেশ ইন্টারনেট প্রফেশনস কমিউনিটি গঠন করা হয়েছে। BIPC লক্ষ্য অনলাইন প্রফেশনকে একটি পূর্নাঙ্গ প্রফেশনে রুপ দান করা এবং এই সেক্টরকে একটি সম্ভাবনাময় খাত হিসাবে সবার সামনে উপস্থাপন করা। সেই লক্ষে কয়েকশত ইন্টারনেট প্রফেশনালরা দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন।

বিআইপিসি কনফারেন্স ২০১৪

সমগ্র বাংলাদেশের ইন্টারনেট প্রফেশনালদের একত্রিকরন এবং এক ছাতার নিচে নিয়ে আসার জন্য প্রথম বারে মত আয়োজিত হতে যাচ্ছে বিআইপিসি কনফারেন্স ২০১৪। বিআইপিসি কনফারেন্স ২০১৪ এর লক্ষ্য “সকল ইন্টারনেট প্রফেশনালদের একত্রিকরন”।
বিআইপিসি কনফারেন্স ২০১৪ সফল করার জন্য এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ইন্টারনেট প্রফেশনালদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির জন্য সবার উপস্থিতি একান্ত কাম্য।

যে কারণে বিআইপিসি কনফারেন্স ২০১৪ এ অংশগ্রহন করবেন

  • আপনি একজন ইন্টারনেট প্রফেশনাল এটা সবার মাঝে পরিচিতি পাওয়া
  • ইন্টারনেট প্রফেশনাল হিসাবে আপনার কাজের সঠিক মূল্যায়ন পাওয়া
  • সকল ইন্টারনেট প্রফেশনালদের নিয়ে সর্বোচ্চ মিলন মেলায় অংশগ্রহন করার সুযোগ
  • সোসাল মিডিয়ায় অন্যান্য প্রফেশনাল বন্ধুদের জানিয়ে দেওয়া ইন্টারনেট প্রফেশনালদের অবস্থা এবং সম্মান
  • বড় আয়োজন, ফলে মিডিয়াতে ইন্টারনেট প্রফেশনালদের বিশেষ দৃষ্টি
  • ইন্টারনেট প্রফেশনালদের ভবিষৎ সম্পর্কে ধারনা লাভ

এছাড়া আরো অনেক কারণ আছে । সব কিছু মিলিয়ে আপনার অবশ্যই বিআইপিসি কনফারেন্স ২০১৪ অংশগ্রহন করা উচিত। এ বছর আপনার অংশগ্রহণ এবং আগমী বছর গুলোতেও আপনার অংশগ্রহন ইন্টারনেট প্রফেশনালদের দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারবে। এক সময় আসবে যে প্রতিবছর এই দিনটি ইন্টারনেট প্রফেশনালদের কাছে হয়ে উঠবে উৎসবের দিন। একটি বছর যাবার পর আর পরের বছরের এই দিনের জন্য শুরু হবে অপেক্ষার পালা। ইন্টারনেট প্রফেশনালদের প্রথম এই বিশাল মিলন মেলায় সরব উপস্থিতি এবং কালের স্বাক্ষী হতে আজই রেজিস্টেশন করুন। আপনাকে এবং আপনার প্রফেশনকে সর্বোচ্চ সম্মানি পর্যায়ে নিয়ে যেতে আপনার উপস্থিতি একান্তই কাম্য।

নোটঃ এই কনফারেন্সে ইন্টারনেট প্রফেশনালসহ যারা অনলাইন ভিক্তিক ক্যারিয়ার গড়ার কথা ভাবছেন সবাই অংশগ্রহন করতে পারবেন।

বিআইপিসি এবং বিআইপিসি কনফারেন্স ২০১৪ রেজিষ্ট্রেশন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন BIPC CONFERENCE 2014

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।

প্রত্যাহার করুন আপনার পাঠানো ইমেইলটি

gmailধনুক থেকে বের হয়ে যাওয়া তীর আর ফিরিয়ে আনার উপায় থাকে না। একই কথা প্রযোজ্য SMS এর বেলায়ও। কিন্তু ইমেইলের মত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারে এর ব্যতিক্রম চান সকলেই। বিশেষ করে তা যদি হয়ে থাকে অফিসিয়াল ইমেইল।
কাউকে ভুল ইমেইল পাঠিয়ে পস্তাচ্ছেন? ভাবছেন যদি এটা প্রত্যাহার করে নেয়ার কোন উপায় থাকতো জিমেইল (gmail) আপনাকে দিচ্ছে সেন্ড করা ইমেইল প্রত্যাহার করে নেয়ার সুবিধা। চলুন জেনে নি কিভাবে প্রত্যাহার করবেন আপনার পাঠানো ইমেইল।

• প্রথমে আপনার জিমেইল আইডিতে সাইন ইন (sign in) করুন
• এবার ক্লিক করুন সেটিংস (settings)1
• এখানে অনেকগুলো ট্যাবের সাথে পাবেন Labs নামের একটি ট্যাবও। এতে ক্লিক করুন।2
• সামান্য নিচে স্ক্রল করলে Undo Send নামে একটি অপশন পাবেন। এর পাশে Enable এ ক্লিক করুন3
• এবার আপনার পাঠানো ইমেইলটি প্রত্যাহার করে নেয়ার সুযোগ পাবেন। তবে এই সুযোগটি জিমেইল দিচ্ছে মাত্র ৩০ সেকেন্ডের জন্য। ৩০ সেকেন্ড পার হয়ে যাওয়ার পর ইমেইল প্রত্যাহারের আর কোন সুযোগ থাকছে না।4

এ ধরণের আরও লেখা পড়ুন

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসে অথবা নিবন্ধন করুন ইমেইলে।